মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
মৌলভীবাজারে কাশফুলে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়, মুগ্ধ প্রকৃতিপ্রেমীরা
শরৎ মানেই কাশফুল। শরতের সাদা মেঘের ভেলায় প্রকৃতি সেজেছে এক নতুন রূপে। মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে নদী তীরবর্তী খোলা প্রান্তর ও কাশবনগুলো এখন দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখরিত। পরিবার-পরিজন ও প্রিয়জনদের নিয়ে প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসছেন নানা বয়সী মানুষ। প্রকৃতির এই অপরূপ মেলবন্ধন মুগ্ধ করছে প্রকৃতিপ্রেমীদের। মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল শহর থেকে মাত্র আড়াই কিলোমিটার দূরে ভানুগাছ সড়কের বেলতলী এলাকায় বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিটিআরআই) সংলগ্ন ভুরভুরিয়া ছড়ার দুই পাড়জুড়ে প্রাকৃতিকভাবে গড়ে
ওঠা কাশবন এখন পরিণত হয়েছে পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণে। শরৎ এলেই কাশফুলের শুভ্রতায় বদলে যায় প্রকৃতির চেনা রূপ। সেই সৌন্দর্যের টানে প্রতিদিনই বিভিন্ন বয়সী মানুষের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠছে কাশফুলের বালুচর। বাতাসে দুলতে থাকা অসংখ্য কাশফুলে চারপাশ যেন ছেয়ে গেছে শুভ্রতার চাদরে। সবুজ চা-বাগানের মাঝ দিয়ে বয়ে চলা পাহাড়ি ছড়ার দুই পাড়ের বালুচরে প্রকৃতির আপন খেয়ালেই জন্ম নেওয়া কাশফুল এখন হয়ে উঠেছে দর্শনার্থীদের অন্যতম আকর্ষণ। দর্শনার্থীরা জানান,দর্শনার্থীরা জানান, স্বামী বা পরিবারের সাথে ঘুরতে এসে এই স্নিগ্ধ পরিবেশ তাদের মন জুড়িয়ে দিয়েছে। ছবি ও স্মৃতির ফ্রেমবন্দি: শরৎ মানেই সাদা কাশবনে দাঁড়িয়ে ছবি তোলার আনন্দ। শ্রীমঙ্গল পর্যটন সেবা সংস্থার সাধারণ সম্পাদক এসকে দাস সুমন জানান, মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল বিটিআরআই ও আশপাশের কাশফুলের সৌন্দর্য পর্যটনে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করেছে। দেশ-বিদেশের পর্যটকদের আগমনে স্থানীয় হোটেল-রিসোর্ট ব্যবসা যেমন সমৃদ্ধ হচ্ছে, তেমনি বাড়ছে সরকারের রাজস্ব। শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. জিয়াউর রহমান বলেন, শ্রীমঙ্গলে আসা সকল পর্যটককে স্বাগত জানানো হচ্ছে এবং সাম্প্রতিক সময়ে যুক্ত হওয়া নতুন সৌন্দর্য 'কাশবন বা কাশবনের বাগান' ঘিরে পর্যটকদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

