প্রতিবেদক: তারফদার মামুন
নির্বাচন স্থগিত ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে হাইকোর্টে রিট
সিলেট প্রতিনিধি: নির্বাচন স্থগিত করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন এবং ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে। একই সঙ্গে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে করার ঘোষিত তফসিলের বৈধতাও চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ এ রিট দায়ের করেন। রিটে গত ১১ ডিসেম্বর ঘোষিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিলের কার্যকারিতা স্থগিত চাওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ওই তফসিল কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না—এ মর্মে রুল জারির আবেদন জ
ানানো হয়েছে। রিটে আরও বলা হয়েছে, রুল জারি হলে তা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা প্রয়োজন। এ মামলায় প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিবাদী করা হয়েছে। চলতি সপ্তাহে বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এ রিটের শুনানি হতে পারে। এদিকে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী ইতোমধ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র দাখিল ও যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শেষ হয়েছে। সোমবার থেকে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল গ্রহণ শুরু হয়েছে। আপিল কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের সামনে ১০টি বুথ স্থাপন করা হয়েছে। প্রার্থীদের অঞ্চলভিত্তিক নির্ধারিত বুথে আপিল দাখিল করতে হবে। সে অনুযায়ী দেশকে ১০টি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। খুলনা অঞ্চলের প্রার্থীরা ১ নম্বর বুথে, রাজশাহী অঞ্চলের প্রার্থীরা ২ নম্বর বুথে, রংপুর অঞ্চলের প্রার্থীরা বুথ-৩ এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রার্থীরা বুথ-৪-এ আপিল করতে পারবেন। এছাড়া কুমিল্লা অঞ্চলের জন্য বুথ-৫, সিলেট অঞ্চলের জন্য বুথ-৬, ঢাকা অঞ্চলের জন্য বুথ-৭, ময়মনসিংহ অঞ্চলের জন্য বুথ-৮, বরিশাল অঞ্চলের জন্য বুথ-৯ এবং ফরিদপুর অঞ্চলের প্রার্থীদের জন্য বুথ-১০ নির্ধারণ করা হয়েছে। আপিল দাখিল কার্যক্রম শেষ হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যান্য কমিশনাররা আপিলগুলো নিষ্পত্তি করবেন। এ কার্যক্রম আগামী ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে।

