মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের ছেলের বিরোদ্ধে মহিলা ইউপি সদস্যের সংবাদ সম্মেলন
মৌলভীবাজার ২নং মনুমূখ ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মৃত সুজন মিয়ার ছেলে আহাদ মিয়া বিরোদ্ধে জাল ওয়ারিশান, সার্টিফিকেটে স্বাক্ষর করার চাপ সৃষ্টি করার করার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেরন করেছেন ২ নং মনুরমুখ ইউনিযনের ৭,৮ ও ৯নং ওয়ার্ডের বর্তমান মহিলা ইউপি সদস্য তানিয়া আক্তার মিনু। বৃহস্পতিবার রাত ৮.৩০ মিনিটে মৌলভীবাজার জেলা সংবাদিক ইউনিয়নের অফিসে লিখিত অভিযোগে বলেন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যানের ছেলে আহাদ মিয়া, খেসমতি বেগম, শিরিন বেগম, রাজু মিয়া গং এলাকায় প্রভাব খাটিয়ে প্রায় সময় তাহার বাড়ীতে গিয়ে ইউপ
ি সদস্যের নামের সিল, পেড নিয়ে বিভিন্ন ভূয়া কাগজপত্রে সিল মারার জন্য অর্ডার করে। তাহার কথায় রাজি না হলে আহাদ মিয়া তাহার সহিত শত্রুতা করে তাহার লোকজন নিয়ে বিভিন্ন সময়ে ইউপি সদস্যকে আজেবাজে কথাবার্তা বলে। গত ১২ আগষ্ট সদর এর জের ধরে থানার সুজন নগর তার বসত বাড়ীর ভিতর আহাদ মিয়া, খেসমতি বেগম, শিরিন বেগম, রাজু মিয়া সহ অজ্ঞাতনামা কিছুব্যক্তি লাঠি সোটা, দা, লোহার রড, কাঠের বর্গা, জি আই পাইপ নিয়ে তার বাড়িতে ঢোকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করতে থাকে। তিনি প্রতিবাদ করলে আহাদ মিয়ার হুকুমে অন্যান্য সঙ্গীরা তার মারপিট শুরু করে। তখন তার দেবর ফজলু মিয়া, তানিয়া আক্তার মিনু ছেলে নাহিদ মিয়া বাঁধা দিলে আহাদ মিয়া দা দিয়ে ফজলু মিয়া মাথায় কোপ মেরে গুরুতর জখম করে। রাজু মিয়া লোহার রড দিয়ে নাহিদ মিয়া মাথায় আঘাত করে। খেসমতি বেগম , শিরিন বেগম লাঠি দিয়ে তানিয়া আক্তার মিনুর শরীরে জখম করে। আহাদ মিয়া ও রাজু মিয়া পরনের কাপড় চোপড় ধরে টানা হ্যাছড়া করে শ্লীলতাহানি করে। খেসমতি বেগম ৮ আনা ওজনের স্বর্নের চেইন নিয়ে যায়। এসময়ে চিৎকার শুনে ফজলু মিয়া, নাহিদ মিয়া, সুরমা বেগম, আলেয়া বেগম, কদর মিয়া, হুমায়ুন মিয়া, সহ আরো আশে পাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাদেরে রক্ষা করে। চলে যাওযার সময় প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে যায় কোন মামলা মোকদ্দমা করলে খুন করে লাশ গুম করে ফেলবে হমকি দিয়ে বাড়ি ঘেরাও করে রাখে। ঘটনার ৩ ঘন্টা পর ফাঁড়ি পথে নৌকা যোগে চিকিৎসার জন্য তারা মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে যান। তাদের ভয়ে মহিলা ইউপি সদস্য তানিয়া আক্তার মিনু পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় আছেন। এব্যাপারে মৌলভীবাজার মডেল থানায় একটি অভিযোগ করা হয়েছে।

