স্টাফ রিপোর্টার
সুপারিশ পেয়েও আটকে ছিল নিয়োগ, অবশেষে ৬৭ জনের অপেক্ষার অবসান
চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগপত্র হাতে পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় ছিলেন মৌলভীবাজারের ৮৫ প্রার্থী। দীর্ঘ যাচাই-বাছাই শেষে তাঁদের মধ্যে ৬৭ জনের নিয়োগের জন্য দ্বিতীয় ধাপের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। নিয়োগপত্র ডাকযোগে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের ঠিকানায় পাঠানো হবে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মৌলভীবাজার জেলায় চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্য থেকে ৮৫ জনের নিয়োগ বিভিন্ন কারণে আটকে যায়। তাঁদের কারও কাগজপত্রে জটিলতা ছিল, আব
ার কয়েকজন চাকরিতে যোগদানে অনাগ্রহ প্রকাশ করেন। পরে এসব প্রার্থীর তথ্য ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়। যাচাই শেষে ৬৭ জনকে নিয়োগের জন্য নির্বাচিত করে দ্বিতীয় ধাপের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। ফলে দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষায় থাকা এসব প্রার্থীর নিয়োগের বিষয়টি এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। তবে বাকি ১৮ প্রার্থীর নিয়োগ হচ্ছে না। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে কাগজপত্রের জটিলতা এবং চাকরিতে যোগদানে অনাগ্রহসহ বিভিন্ন বিষয় রয়েছে। চূড়ান্ত সুপারিশের পরও নিয়োগ আটকে যাওয়ায় অপেক্ষমাণ প্রার্থীদের মধ্যে তৈরি হয়েছিল অনিশ্চয়তা। বিশেষ করে সরকারি চাকরির পরীক্ষার একাধিক ধাপ পেরিয়ে চূড়ান্ত সুপারিশ পাওয়ার পর নিয়োগপত্রের জন্য অপেক্ষা করতে হওয়ায় বিষয়টি তাঁদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। দ্বিতীয় ধাপের তালিকা প্রকাশের পর সেই অপেক্ষার অবসান ঘটছে ৬৭ জনের। এবারের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মৌলভীবাজার জেলায় মোট ৩৫৭ জন প্রার্থী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। এর মধ্যে দ্বিতীয় ধাপে যুক্ত হওয়া ৬৭ জনও রয়েছেন। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. আনিছুর রহমান ৬৭ জনের দ্বিতীয় ধাপের নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের ঠিকানায় নিয়োগপত্র ডাকযোগে পাঠানো হবে। নিয়োগের তালিকা প্রকাশের পর এখন প্রশ্ন উঠেছে, বাকি ১৮ প্রার্থীর জটিলতা কীভাবে নিষ্পত্তি হবে। তাঁদের ক্ষেত্রে কাগজপত্র যাচাই বা অন্যান্য প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার সুযোগ রয়েছে কি না, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন অপেক্ষমাণরা। তবে ৬৭ জনের নিয়োগ নিশ্চিত হওয়ায় অন্তত তাঁদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে। চূড়ান্ত সুপারিশের পর যে নিয়োগপ্রক্রিয়া আটকে গিয়েছিল, যাচাই-বাছাই শেষে দ্বিতীয় ধাপে তালিকা প্রকাশের মধ্য দিয়ে সেটি আবার এগিয়ে গেল।

