মৌলভীবাজারে জামাতার দা’য় শ্বাশুরী গুরুতর আহত
মৌলভীবাজারে জামাতার দা’য় শ্বাশুরী গুরুতর আহত মৌলভীবাজারের ৪নং কাগাবালা ইউনিয়নের সাতভাগ গ্রামে দা'র আঘাতে ভাগ্যবতী বেগম (শ্বাশুরী) গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি বর্তমানে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে মুমূর্ষু অবস্থায় চিকিৎসাধীন। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ভাগ্যবতী বেগমকে কুপিয়ে আহত করে তার মেয়ের জামাতা জাবেদ মিয়া। ঘটনার সময় জাবেদ
ের সঙ্গে তার ভাই আব্দুল মিয়া, খালেদ মিয়া ও দুলাল মিয়াও ছিলেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভাগ্যবতী বেগম একটি অটোরিকশা ক্রয় করে জামাতা জাবেদ মিয়ার হাতে চালানোর জন্য দেন। তবে জাবেদ তিন দিন আগে কৌশলে গাড়িটি স্থানীয় মজিদ মিয়ার কাছে বিক্রি করে দেয়। এ নিয়ে ভাগ্যবতী বেগম আদালতে মামলা করলে তা তদন্তের জন্য মৌলভীবাজার মডেল থানায় আসে। ঘটনার দিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এএসআই শাহিনুর রহমান ঘটনাস্থল তদন্ত করে কাগাবালা বাজারে ফেরার পরপরই জাবেদ মিয়া বাড়িতে গিয়ে শ্বাশুরীর ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। দা দিয়ে তার হাত, মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। আহত ভাগ্যবতী বেগমের ছেলে হিরন মিয়া জানান, প্রায় ১৭ বছর আগে তার বোন নিপা বেগমের সঙ্গে জাবেদ মিয়ার বিয়ে হয়। দীর্ঘদিন ধরে জাবেদ যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতন করে আসছিল। এ কারণে তার মা অটোরিকশাটি কিনে দেন। কিছুদিন আগে জাবেদ বলে বেড়ায় যে সে নিপাকে তালাক দিয়েছে। এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে থানায় আলাদা একটি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে। এএসআই শাহিনুর রহমান বলেন, “তদন্ত কাজ শেষ করে বাজারে ফিরে আসার কিছুক্ষণ পরই খবর পাই জাবেদ মিয়া বাড়িতে গিয়ে তার শ্বাশুরীকে কুপিয়েছে। জাবেদের বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে।” স্থানীয়দের দাবি, দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন।
